Call Now

ফেসবুক মার্কেটিং এ এ্যাট্রিবিউশন মডেলিং

ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এ্যাট্রিবিউশন মডেলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে কারণ এ্যাট্রিবিউশন মডেল আপনাকে আপনার ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন চ্যানেলের পারফর্মেন্স একদম অংকের মত হিসেব করে দেখিয়ে দিবে যেটি কিনা আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক। ধরুণ আপনি আগস্ট মাসের ১৫ তারিখ ফেসবুকে একটি ক্যাম্পেইন করলেন এবং এরপর নিচের ঘটনাগুলো ঘটলঃ

  • ১৫ তারিখ মফিজ মিয়া আপনার ক্যাম্পেইন থেকে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেন তার ডেস্কটপ ব্যবহার করে কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট থেকে কোন পণ্য ক্রয় না করে ওয়েবসাইট থেকে বিদায় নিলেন।
  • ২৫ তারিখ মফিজ মিয়া তার ব্রাউজার থেকে সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটে আবার প্রবেশ করলেন এবং এবার মফিজ মিয়া তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেন।
  • ২৯ তারিখ মফিজ মিয়া গুগল মামার কাছে গিয়ে কিছু একটা জিজ্ঞাসা করলেন এবং তখন মামা তার প্রথম পেইজে আপনার পেইজ কে এনে দেখালেন এবং এবার আর মফিজ মিয়া লোভ সামলাতে না পেরে আপনার ওয়েবসাইট থেকে ঐ পণ্যটি ক্রয় করলেন। এবার তিনি তার ডেস্কটপ থেকে পণ্যটি ক্রয় করলেন।

উপরের কেইস থেকে আমরা দেখলাম যে মফিজ মিয়া তার ক্রয় করার এ লম্বা জার্নিতে তিনটি ভিন্ন চ্যানেলে (প্রথমে ফেসবুক, তারপর ডিরেক্ট এবং সবশেষে অর্গানিক) ঘুরে এসে পণ্য করলেন।

ফেসবুক এড নিয়ে আর চিন্তা নয়! টি৩ তে সব হয়।

এড একাউন্ট নেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

Click Here
Article Continues

এবার বলুন ত ফেসবুক এক্ষেত্রে কোন মাধ্যমকে ক্রেডিট দিবেন আপনার পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে?

যাই হোক উপড়ের প্রশ্নের সঠিক উত্তর খোঁজার জন্যই আমাদের আজকের আলোচনা ফেসবুক মার্কেটিং এর এ্যাট্রিবিউশন মডেলিং।

যা যা শেখা যাবে এই ব্লগ আর্টিকেল থেকেঃ

  • এ্যাট্রিবিউশন মডেল কি?
  • বিভিন্ন ধরণের এ্যাট্রিবিউশন মডেল এবং তাদের ব্যবহার
  • ফেসবুক ডিফল্ট কোন ধরণের এ্যাট্রিবিউশন মডেল ব্যবহার করে?
  • কোন কোন সিচুয়েশনে আপনি কোন কোন মডেল ব্যবহার করবেন?

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এ্যাট্রিবিউশন মডেল কিভাবে সেট করতে হয় সে বিষয়ে আমাদের অন্য একটি আর্টিকেলে বিস্তারিত জানাব। ডিজিটাল মার্কেটিং এক দিনে শেখার বিষয় না তাই, অপেক্ষা করাটা দোষের কিছু না!!!

এ্যাট্রিবিউশন মডেলিং কি?

এট্রিবিউশন মডেলিং এমন কিছু রুলস এর সমন্বয়ে গঠিত একটি সিস্টেম বা এ্যালগরিদম যেটি কিনা নির্ধারণ করে যে নির্দিষ্ট কোন কনভার্সনের ক্ষেত্রে কোন চ্যানেল কে ক্রেডিট দেয়া উচিত (তার মানে হল আপনার নির্দিষ্ট একটি কনভার্সনের ক্ষেত্রে কোন চ্যানেলের ভূমিকা কতটুকু)। ফেসবুকে কিভাবে কনভার্সন ক্যাম্পেইন সেট করা যায় সে বিষয়ে আমাদের অন্য একটি আর্টিকেল আছে “ফেসবুকে Conversion ক্যাম্পেইন সেট করার পদ্ধতি“। বিভিন্ন ধরণের এ্যাট্রিবিউশন মডেল রয়েছে এবং মডেলের ধরণ অনুযায়ী ক্রেডিট এর ধরণ নির্ভর করে। আমরা ফেসবুকের এ্যাড ম্যানেজার এ যে এ্যাট্রিবিউশন মডেল দেখে থাকি সেটি মূলত Last Touch মডেল এবং এ্যাটিবিউশন উউন্ডো হিসেবে 1-day impression and 28-day click window । এ বিষয়টি নিয়ে আজকের আর্টিকেলের কোন এক অংশে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।

ফেসবুক মার্কেটিং এ বিভিন্ন এ্যাট্রিবিউশন মডেলঃ

ফেসবুকের এ্যাট্রিবিউশন মডেল কে দুইভাবে ভাগ করা যায় যেগুলো হলঃ

  • Rule Based Attribution Model (যেটির নিয়ম কানুন আমরা আমজনতা জানতে পারিই)
  • Statistical Attribution Model (এটা ফেসবুক নিজের দায়িত্বে করে থাকে)। অনেক জ্ঞানী ব্যাক্তিরা এটাকে Algorithmic Attribution Model ও বলে থাকেন।

Rule Based Attribution Model কে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়ঃ

  • Single Touch Attribution Model: এই ধরণের এ্যাট্রিবিউশন মডেলে কনভার্সন পাথের একটি নির্দিষ্ট টাচপয়েন্ট কে কোন নির্দিষ্ট কনভার্সনের ক্রেডিট দেয়া হয়। ফেসবুকের ক্ষেত্রে এই ধরণের মডেলগুলো হলঃ First Touch, Last Touch ইত্যাদি।
  • Multi Touch Attribution Model: এই ধরণের এ্যাট্রিবিউশন মডেলে কনভার্সন পাথের বিভিন্ন টাচপয়েন্ট কে বিভিন্ন মাত্রায় নির্দিষ্ট কনভার্সনের ক্রেডিট দেয়া হয়। ফেসবুকের ক্ষেত্রে এই ধরণের মডেলগুলো হলঃ Positional 30% এবং Positional 40%
বিনামূল্যে জয়েন করুন

বাংলা ভাষার সবথেকে বড় ডেটাভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং কমিউনিটিতে

জয়েন করতে চাই
Article Continues

বিভিন্ন ধরণের এ্যাট্রিবিউশন মডেল রয়েছে যেগুলো নিচে দেয়া হলঃ

  • First Click or Visit
  • First Touch
  • Event Credit
  • Last Touch
  • Last Click or Visit
  • Positional 30%
  • Positional 40%
  • Data Driven Attribution Model

১. ফেসবুক মার্কেটিং এ First Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল

নিচের উদাহরণ থেকে বিষয়টির গভীরে প্রবেশ করা যাক। যেমন ধরুণ আপনি আজকে ফেসবুক এ্যাড থেকে আমাদেরবদলে ফেলো নিজেকে প্রোগ্রামের নিচের এ্যাডটি দেখলেনঃ

আপনি এ্যাডটি দেখে আবেগে উদ্বেলিত হয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে আসলেন এবং দেখলেন যে এই ট্রেনিং টি সম্পন্ন করতে ৪ টি সেমিস্টারে সর্বমোট ১৮০০০ টাকা লাগবে। আপনার কাছে এই মূহুর্তে এই কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করার মত টাকা নেই কিংবা আপনি এখনো আমাদের ব্র্যান্ড এর উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। কিন্তু আপনি ওয়েবসাইট ঘুরে দেখলেন যে আমাদের অন্য একটি ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং ট্রেনিং রয়েছে এবং আপনি দেখলেন যে এখানে পূর্নাংগ লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রত্যেকটি ভিডিও শেষে একটি কুইজ রয়েছে। শুধু তাই নয় কোর্স শেষে আমাদের সিস্টেম থেকে আপনি একটি সার্টিফিকেটও পাচ্ছেন। আপনার খুব পছন্দ হল এবং আপনি ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং ট্রেনিং এ রেজিস্ট্রেশন করলেন। বেশ কিছুদিন পর আপনি আমাদের ফ্রি প্রোগ্রামটি শেষ করলেন। যেহেতু আমাদের ট্রেনিং লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে চালানো হয় সেহেতু ফ্রি ট্রেনিং শেষ করতে আপনাকে আমাদের ওয়েবসাইটে সরাসরি আরো বেশ কয়েকদিন আসতে হয়েছে। এরপর আমাদের কল সেন্টার থেকে আপনাকে ফোন করে অভিনন্দন জানানো হল এবং তারপর আপনাকে বদলে ফেলো নিজেকে প্রোগ্রাম সম্পর্কে ধারণা দেয়া হল। এতেও আপনার মন গলল না এবং এর কিছুদিন পর আপনি গুগল মামার কাছে একটি কি-ওয়ার্ড যেমন “ফেসবুক মার্কেটিং অডিয়েন্স সেট করার পদ্ধতি দিয়ে সার্চ করলেন এবং বেশ কয়েকদিন পর আমাদের সিস্টেম থেকে একটি ইমেইল পেলেন। এরপর আপনি আমাদের বদলে ফেলো নিজেকে প্রোগ্রামে ভর্তি হলেন। তাহলে আপনার জার্নি কে আমরা নিচের ছবির মত করে ধরতে পারিঃ

ফেসবুক মার্কেটিং এ First Click Attribution Model

উপড়ের ছবি থেকে আমরা দেখতে পারি যে কাস্টমার ক্রয় করার পূর্বে ৪ টি টাচপয়েন্ট অতিক্রম করেছে যেগুলো হলঃ

Facebook Ad > Direct Visit > Organic > Email

First Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল অনুযায়ী এখানে বদলে ফেলো নিজেকে প্রোগ্রামের কনভার্সনের জন্য ক্রেডিট পাবে ফেসবুক এ্যাড।

First Click এ্যাট্রিবিউশন মডেলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ্যাট্রিবিউশন মডেল কারণ এ মডেল থেকে আপনি জানতে পারছেন যে আপনার কাস্টমার জার্নি কোন চ্যানেল থেকে শুরু হয়েছিল। এই মডেলে আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট চ্যানেলের আধিপত্য দেখতে পান তাহলে আপনার উচিত হবে সেই চ্যানেল এর পেছনে আরো বেশি নজর দেয়া।

Free Training

on Strategic & Data Driven Facebook Marketing

Enroll Now for FREE
Article Continues

২. ফেসবুক মার্কেটিং এ Last Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল

এবার উপড়ের ঘটনাটি কে যদি আমরা Last Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল দিয়ে সংজ্ঞায়িত করতে চাই এই নির্দিষ্ট কনভার্সনের ক্ষেত্রে ইমেইল চ্যানেলটি ক্রেডিট পাবে। নিচের ছবি দেখলে আপনাদের কাছে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে।

ফেসবুক মার্কেটিং এ Last Click Attribution Model

Last Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল থেকে আপনি জানতে পারবেন যে সর্বশেষ কোন টাচপয়েন্টে এসে আপনার কাস্টমার তার পারচেজ সম্পন্ন করছেন। আপনি যদি এ্যাট্রিবিউশন মডেল ব্যবহার না করে অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার মত করে করতেন তাহলে হয়ত আপনি জানতেই পারতেন না যে আপনার কনভার্সন এর ক্ষেত্রে ইমেইলের ভূমিকা আছে।

৩. ফেসবুক মার্কেটিং এ Even Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল

উপড়ের কেইস থেকে আমরা দেখতে পারি যে কনভার্সন হবার পথে সর্বমোট ৪ টি টাচপয়েন্ট আছে। এখন আপনি যদি Even Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল দিয়ে আপনি উপড়ের ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে চান তাহলে ঘটনাটি দেখতে নিচের মত হবেঃ

Even Click এ্যাট্রিবিউশন মডেল আমাদের কোম্পানী “The Turtles Turn” এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের ট্রেনিং বা সার্ভিস এমন একটি প্রোডাক্ট (যদিও এটাকে সবাই সার্ভিস হিসেবে বলে থাকে কিন্তু একজন সেলসম্যান হিসেবে আমার কাছে সবকিছুকেই প্রোডাক্ট হিসেবে মনে হয়) যেটি কিনা একদিনেই একজন কাস্টমার কনভার্ট হয়না বরং বিভিন্ন চ্যানেল ঘুরে এসে সর্বশেষে এসে সিদ্ধান্ত নেয়। তাছাড়া আমরা ১০০% আয় বিষয়ক তাবিজ বিক্রি করিনা বলে অনেকেই এটাকে খুব একটা গুরুত্ব সহকারে দেখে না। তবে যারা প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে চান তাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারণেই আমাদের কে জানতে হয় কাস্টমার জার্নি টা কেমন এবং আমাদের কে জানতে হয় আমাদের কনভার্সনের জন্য কোন কোন চ্যানেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

৪. ফেসবুক মার্কেটিং এ Last Touch এ্যাট্রিবিউশন মডেল

আপনারা ফেসবুক এ্যাড ম্যানেজারে কনভার্সনের যে তথ্য দেখতে পান সেটি আসলে এই Last Touch এ্যাট্রিবিউশন মডেল ব্যবহার করে। এবার একটা বিষয় আপনাদের কাছে অপরিস্কার লাগতে পারে আর সেটি হলঃ Click vs Touch

Click বলতে আমরা আসলে আমরা বুঝতেই পারছি যে এ্যাডের ক্লিক। আর Touch বলতে Click/Impression/Visit এর যে কোন একটি ঘটাকেই বোঝায়। বিষয়টিকে পরিস্কার করতে আমরা নিচের একটি কেইস নিয়ে আলোচনা করে আসিঃ

ধরুণ আপনি চারটি এ্যাড ক্যাম্পেইন করছেনঃ

  • ক্যাম্পেইন – ০১ (ফেসবুক ক্যাম্পেইন)
  • ক্যাম্পেইন -০২ (ফেসবুক ক্যাম্পেইন)
  • ক্যাম্পেইন – ০৩ (গুগল কিংবা অন্য কোন প্লাটফর্মে সংগঠিত ক্যাম্পেইন)
  • ক্যাম্পেইন – ০৪ (ফেসবুক ক্যাম্পেইন)

এবার যদি প্রশ্ন করা হয় যে ফেসবুক উপড়ের কেইসে Last Touch এ্যাট্রিবিউশন মডেল অনুযায়ী কোন ক্যাম্পেইন কে ক্রেডিট দিবে পারচেজ এর জন্য?

যেহেতু তৃতীয় টাচপয়েন্টে ভিজিট হয়েছে সুতরাং এক্ষেত্রে ফেসবুক ক্যাম্পেইন – ০৩ এর অধীনে এই পারচেজ টি দেখাবে। যদি এ্যাড ক্লিক এবং ভিজিট না থাকত মাঝখানে সেক্ষেত্রে ফেসবুক ক্যাম্পেইন – ০৪ কে এই কনভার্সনের ক্রেডিট দিত। যদি এ্যাড ক্লিক এবং ভিজিটের মধ্যবর্তী সময় ৬০ সেকেন্ডের অধিক না হয় সেক্ষেত্রে ফেসবুক এ্যাড ক্লিক কেই ক্রেডিট দিবে। আর এই ধরণের একটি কেইস ঘটলে অবশ্যই ক্যাম্পেইন – ০২ এই কনভার্সনের ক্রেডিট পেত।

Click : আপনার নির্দিষ্ট এ্যাডে যে ক্লিক হল সেই বিষয়টিকেই ক্লিক বলা হচ্ছে।

Visit: আপনার ওয়েবসাইট টি বিভিন্ন ভিজিটর বিভিন্ন চ্যানেল যেমনঃ ফেসবুক, ডিরেক্ট কিংবা অন্য কোন চ্যানেল থেকে যে লোড করেছে সেটিকেই ভিজিট হিসেবে ধরা হয়েছে। এই ঘটনাটি ফেসবুক আসলে পিক্সেলের মাধ্যমে নির্ণয় করে থাকে। ফেসবুক পিক্সেল সেট করা নিয়ে আমাদের অন্য একটি আর্টিকেল আছে “ফেসবুক মার্কেটিং এ পিক্সেল সেট করার পদ্ধতি

বিশেষ সতর্কতা!!!!

অমুক স্যার, তমুক স্যারের প্ররোচনায় পড়ে চৌধুরী বাড়ির ছেলে, মিয়া বাড়ির মেয়ে, পাড়ার দুষ্টু ছেলে, নানার নামে, দাদার নামে, চাচার নামে ফেসবুক পেইজ তৈরি করে ফেইক লাইক বাড়ানো, ফেইক আইডি তৈরি করে ফেইক মার্কেটিং থেকে বিরত থাকুন। এটি কোন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং নয় বরং এটি একটি ফেইক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি। এতে করে দীর্ঘমেয়াদে আপনি ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করলে শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বব্যাপী আপনি কাজ করতে পারবেন। চাইলে ফ্রিল্যান্সিং ও করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং শেখার নামে সময় নষ্ট করে ফেইক মার্কেটিং না শিখে সঠিক দক্ষতা অর্জন করুন, কাজই আপনার পেছনে ছুটতে থাকবে 

নছিমন মার্কা ফেইক ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি থেকে সাবধান!!!

Strategic & Data Driven

Digital Marketing Training @2999 BDT

Save 70% Today!
Article Continues

৫. ফেসবুক মার্কেটিং এ Positional 30% এ্যাট্রিবিউশন মডেল

এই এ্যাট্রিবিউশন মডেলে প্রথম এবং শেষ টাচপয়েন্ট কে ৩০% ক্রেডিট দেয়া হয়ে এবং এই দুই টাচপয়েন্টের মাঝে যে যে টাচপয়েন্ট আছে তাদের কে সমান সমান ক্রেডিট দেয়া হয়। Positional 30% Attribution Model এর একটি উদাহরণ নিচের ছবি থেকে দেখা যাকঃ

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ধরুণ একটি ক্লিক হল ফেসবুক থেকে এবং কাস্টমার ওয়েবসাইটে না গিয়ে অন্য কোন মাধ্যম ঐ ক্লিকের ৬০ সেকেন্ডের ভেতর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেন তখন কিন্তু ঐ ক্লিক কেই ক্রেডিট দেয়া হবে। আবার ধরুণ আপনি একটি এ্যাড দিয়েছেন এবং ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে একটি Impression হল এবং সেই সাথে ক্লিক হল তখন এই ঘটনাকে একটি টাচপয়েন্ট হিসেবে গণ্য করা হবে।

৬. ফেসবুক মার্কেটিং এ Positional 40% এ্যাট্রিবিউশন মডেল

এই এ্যাট্রিবিউশন মডেলে প্রথম এবং শেষ টাচপয়েন্ট কে ৪০% ক্রেডিট দেয়া হয়ে এবং এই দুই টাচপয়েন্টের মাঝে যে যে টাচপয়েন্ট আছে তাদের কে সমান সমান ক্রেডিট দেয়া হয়। Positional 40% Attribution Model এর একটি উদাহরণ নিচের ছবি থেকে দেখা যাকঃ

৭. ফেসবুক মার্কেটিং এ time decay এ্যাট্রিবিউশন মডেল

এই মডেলটি বুঝতে গেলে আমাদের কে বুঝতে হবে যে Half Life যেটাকে একটা গল্প দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করি। যেমন ধরুণ আপনার বাড়ির পাশে একটি ছোট পুকুর আছে। গ্রীষ্মকালে এই পুকুরটির পানি শুকিয়ে যেতে ১৪ দিন সময় লাগে তাহলে এক্ষেত্রে পানি শুকানোর Half Life হলঃ ৭ দিন। আশা করছি Half Life বিষয়টি আপনাদের কাছে পুকুরের পানির মতই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে। এবার হাটুম বাটুম গল্প বাদ দিয়ে মূল আলোচনায় আসা যাক।

Time Decay এ্যাট্রিবিউশন মডেলে দুই ধরণের মডেল আছে একটি হলঃ Time Decay – 1 Day Attribution এবং অন্যটি হলঃ Time Decay – 7 Day Attribution. ১ দিনের মডেলে আপনার নির্দিষ্ট কনভার্সনের ১ দিন আগে যে টাচপয়েন্ট ছিল সেটিকে ৫০% ক্রেডিট দেয়া হয় এবং ২ দিন আগে যে টাচপয়েন্ট সেটিকে ২৫% ক্রেডিট দেয়া হয়। একই ভাবে ৭ দিনের মডেলে কনভার্সনের ৭ দিন আগের টাচপয়েন্ট কে ৫০% ক্রেডিট এবং ১৪ দিন আগের টাচপয়েন্ট কে ২৫% ক্রেডিট দেয়া হয়।

Free Training

on Strategic & Data Driven Facebook Marketing

Enroll Now for FREE
Article Continues

৮. ফেসবুক মার্কেটিং এ Data Driven এ্যাট্রিবিউশন মডেল

এটিকে Statistical Attribution Model এবং অনেকে Algorithmic Attribution Model ও বলে থাকেন। এটি ফেসবুক নিজেই বিভিন্ন তথ্য এবং কাস্টমার জার্নিকে একটি পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে তৈরি করে থাকে।

এ পর্যায়ে আমাদের ওয়েবসাইট The Turtles Turn এর ৪ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট, ২০২০ পর্যন্ত কনভার্সন কে বিভিন্ন এ্যাট্রিবিউশন মডেলে দেখার চেষ্টা করি যাতে করে আপনাদের আরো একটি চমৎকার আইডিয়া হয় এ্যাট্রিবিউশন মডেল নিয়ে।

উপড়ের চিত্রটি First Touch এ্যাট্রিবিউশন মডেল এ আমাদের ওয়েবসাইটের কনভার্সন এর জন্য যে যে চ্যানেলগুলো ভূমিকা পালন করেছে সেটির একটি বাস্তব চিত্র দেখা যাচ্ছে। উওরের চিত্র থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আমরা ৫৯% কনভার্সনের ক্ষেত্রে কাস্টমারের জার্নি শুরু হয়েছিল আমাদের কোন না কোন পেইড ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে। ১৯% কাস্টমার তাদের জার্নি শুরু করেছিল অর্গানিক মাধ্যমে। মজার বিষয় হল আমরা কিন্তু SEO নিয়ে কোন ধরণের কাজই করার সুযোগ পাইনি আমাদের ওয়েবসাইটে। এই ঘটনা থেকে আমরা অর্গানিক ট্র্যাফিক পাওয়ার জন্য এখন SEO এর উপড় অনেক গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছি সাম্পতিক সময়ে। এ্যাট্রিবিউশন মডেলের এ চিত্র না পেলে হয়ত আমরা অনেকে পরে গিয়ে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতাম। ধন্যবাদ Attribution Model কে।

লেখক পরিচিতিঃ

এই ব্লগ পোস্টটি লিখেছেন টি৩ কমিউনিকেশন্স লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ নাজমুল হোসেন। দীর্ঘ ১৩ বছরের ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ারে তিনি পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি । কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক এর ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর হিসেবে। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে অর্জন করেন বেসিস আউটসোর্সিং এ্যাওয়ার্ড। ইল্যান্স-ওডেস্ক (বর্তমান আপওয়ার্ক) এ্যানুয়াল ইম্প্যাক্ট রিপোর্টে উঠে এসেছে তার সফলতার গল্প। তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

মোঃ নাজমুল হোসেন

Tags: , , ,

Popular Blog

2 comments on “ ফেসবুক মার্কেটিং এ এ্যাট্রিবিউশন মডেলিং

Leave a Comments

0
0 item
My Cart
Empty Cart