Call Now

ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার এর আদ্যোপান্ত – না জানলে ১৫৭% লস!

সঠিক ম্যানেজমেন্টের অভাবে যেমন কোন একটি উদ্যোগ ব্যার্থ হয় ঠিক একইভাবে ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার সম্পর্কে ধারণা না থাকলে আপনিও ফেসবুক মার্কেটিং এর এই গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম কে যথাযথভাবে কাজ করতে পারবেন না। সত্যিকার অর্থে ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার, ফেসবুক মার্কেটিং এর একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

একটি কথা আগে থেকেই বলে রাখি আর সেটি হল ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার সম্পর্কে ভালোভাবে গ্যান অর্জন না করে ফেসবুক মার্কেটিং করাটা আসলে বোকামি। ত চলুন জেনে নেয়া যাক যে ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজারের আসলে কাজ কি, এটি ব্যবহার করে আপনি কি কি কাজ করতে পারবেন ইত্যাদি। ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার সম্পর্কে কয়েকটি বুলেট পয়েন্ট জেনে নেয়া যাক আগেঃ

  • ফেসবুকের সাথে সঠিকভাবে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য সবথেকে প্রথমে যে কাজটি আপনাকে করতে হবে সেটি হল ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার এ্যাকাউন্ট তৈরি করা।
  • ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার ছাড়া আপনি ফেসবুকের অনেক মজাদার মার্কেটিং ফিচার উপভোগ করতে পারবেন না।
  • একটি ডেটাভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং কমিউনিকেশন এজেন্সির জন্য ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি সম্পদ। সম্পদ কথাটা এ কারণেই বলেছি কারণ এই আর্টিকেল পুরোপুরি পড়লে আপনার মনে হবে যে এটি আসলেই একটি সম্পদ যেটি কিনা আপনার বিজনেস ক্যারিয়ারে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আজকের আর্টিকেলে আমি নিচের যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলব সেগুলো একটু লিখে ফেলা যাকঃ

১. ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার যেভাবে তৈরি করতে হয়।

ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার তৈরির আগে আমাদের কে আসলে জানতে হবে যে কেনইবা আমরা ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার তৈরি করছি। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কিনা ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল দিয়ে একটি ফেসবুক এ্যাড এ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন ইতিমধ্যে। এই ফাকে একটু গল্প করে আসি। গল্পটি আমার নিজের বানানো নয়, শোনা একটি গল্প। একটি স্কুলের সামনে একটি দোকান আছে যেই দোকানে বিভিন্ন ধরণের খাবার বিক্রি করা হয়। কোন একদিন ঐ স্কুলের শিক্ষক ঐ দোকানের মালিক কে জিজ্ঞাসা করলেন যে আপনি এত কষ্ট করেও যে টাকা আয় করেন সেই একই টাকা আমি আয় করি তাহলে আপনি এত কষ্ট কেন করেন? তখন দোকানদার শিক্ষক কে বললেন যে স্যার, আপনি একদিন এই স্কুল থেকে একদিন রিটায়ার্ড করবেন এবং তখন আপনি আর বেতন পাবেন না এমনকি এমনো কোন গ্যারান্টি নেই যে আপনার সন্তান এই স্কুলে শিক্ষকতা করতে । কিন্তু আমার মরে যাবার পরেও আমার সন্তানদের আয় কিন্তু এক টাকাও কমবে না। গল্পটা বলার উদ্দেশ্য হল ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার এমন একটি ব্যাপার যেখানে একটি অর্গানাইজেশন পরিচালনা করতে পারবেন আর আপনার ফেসবুক প্রোফাইল হল একটি ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সুতরাং আপনি যদি একটি ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি পরিচালনা করেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার এর মাধ্যমেই আপনার আসলে ফেসবুকে মার্কেটিং শুরু করা উচিত।

বেস্ট প্র্যাকটিসঃ

১. ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার এ্যাকাউন্ট তৈরি করে তারপর থেকে কাজ শুরু করা

২. আপনি যদি কোন ক্লায়েন্টের কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে আপনি আপনার ক্লায়েন্ট কে আপনার বিজনেস ম্যানেজারের আইডি দিয়ে দেন এবং তাকে বলেন যাতে করে তিনি আপনাকে যেন ক্যাম্পেইন করার যাবতীয় এ্যাসেট যেমন ফেসবুক পেইজের এ্যাক্সেস, পিক্সেল এ্যাক্সেস, ক্যাটালগ এ্যাক্সেস ইত্যাদি দিয়ে দেন।

৩. আপনি যদি আপনার বিজনেস ম্যানেজার ভেরিফিকেশন করে ফেলতে পারেন এবং বেশ কিছু ক্লায়েন্ট এর ক্যাম্পেইন ম্যানেজ করতে পারেন তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠান কে আপনি চাইলে ফেসবুকের পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত করতে পারবেন। পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত হবার মাধ্যমে আপনি ফেসবুকের সাথে সরাসরি একটি পার্টনারশীপের আওতায় চলে গেলেন যা আপনার এজেন্সিকে দিবে এক নতুন মাত্রা।

এবার চলে আসি কিভাবে আপনি আপনার বিজনেস ম্যানেজার এ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন সে বিষয়ে। প্রথমেই বলে রাখি যে আপনি আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সর্বোচ্চ ২ টি বিজনেস ম্যানেজার এ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন।

সুতরাং সাধু সাবধান!

প্রথমেই আপনাকে যেতে হবে এই লিঙ্কেঃ https://business.facebook.com/overview

উপড়ের লিঙ্কে গিয়ে আপনি যদি Create Account বাটনে ক্লিক করেন তাহলে নিচের মত করে একটি উইন্ডো ওপেন হবে।

উপড়ের উইন্ডোতে দেখা যাচ্ছে যে আপনাকে আপনার বিজনেসের নাম দিতে হবে। সর্বদা একটি কথাই আমি বলি আর সেটি হল আপনার যদি লিগ্যাল বিজনেস ডকুমেন্ট না থাকে তাহলে আপনি কিন্তু আসলে ব্যবসায়ী হতে পারলেন না। সুতরাং এই পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করার আগে আমি অবশ্যই বলব যে আপনি আপনার বিজনেসের লিগ্যাল ডকুমেন্ট গুলো প্রস্তুত করে ফেলুন কারণ এগুলো আপনার বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওপড়ের উইন্ডোতে দেখা যাচ্ছে যে আপনাকে আপনার বিজনেসের নাম, আপনার নাম এবং আপনার বিজনেস ইমেইল দিতে হবে। একটি কথা কানে কানে বলে দেই আর সেটি হল আপনি যখন এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবেন তখন অবশ্যই আপনার পার্সোনাল ফেসবুক টি পাশের কোন ট্যাবে ওপেন রাখবেন কারণ পরবর্তী ধাপে মানে ভেরিফিকেশন স্টেপে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল দিয়েই এটি ভেরিফাই করতে হবে।

২. ফেসবুক বিজনেস মানেজারের এ্যাক্সেস কন্ট্রোল

আপনি যখন ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার এ্যাকাউন্ট তৈরি করে ফেললেন তখন আপনি যদি বিজনেস সেটিংস এ যান তখন আপনি দেখতে পারবেন নিচের উইন্ডো।

বাম পাশে প্রথম যে ট্যাবটি দেখা যাচ্ছে সেটি হল ইউজার। এখানে তিন ধরণের ইউজার রয়েছে যেগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

ক) পিপলঃ খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে আপনি যদি কোন পিপল যেমন আপনার বিজনেস ম্যানেজার যদি আমাকে এ্যাড করতে চান তখন এই অপশনটি ব্যবহার করতে হবে। কেন আপনি আমাকে এ্যাড করবেন সেটিও কিন্তু একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। শুধু তাই নয় আরো একটি বিষয় আমাদের কে একটু আগে থেকেই জানতে হবে আর সেটি হল ফেসবুকের বিভিন্ন এ্যাসেট নিয়ে। আমি এই আর্টিকেল লেখার প্রথমেই বলে নিয়েছি যে ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার আপনার প্রোপার্টির মতই কাজ করে। আপনার বিজনেস করার জন্য ফেসবুকের বিভিন্ন এলিমেন্ট যেমন ফেসবুক পেইজ, পিক্সেল, ক্যাটালগ ইত্যাদি বিষয়গুলোকেই আমরা আসলে এ্যাসেট বলছি। যাই হোক ফিরে যাই মূল আলোচনায় আর সেটি হল কিভাবে আপনি পিপল এ্যাড করবেন এবং সেটা কিভাবেই বা ম্যানেজ করবেন। আপনি যদি পিপল বাটনে ক্লিক করেন তাহলে নিচের মত একটি ইউন্ডো দেখতে পারবেন।

একটি কথা আগেই বলে রাখি আর সেটি হল আপনার বিজনেস ম্যানেজারে পিপল এ্যাড করার আগে আপনাকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং আপনাকে জানতে হবে যে আপনি কাকে কোন রোল দিবেন। আপনি যদি উপরের উইন্ডো খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন “Show Advanced Option” নামে একটি অপশন রয়েছে যেখানে ক্লিক করলে আপনি নিচের উইন্ডো দেখতে পারবেন যেখানে আপনি কয়েক ধরণের রোল দেখতে পারবেন।

এখানে মূল রোল আসলে ২ টি আর সেগুলো হলঃ

Employee Access: আপনি কাউকে এমপ্লয়ী এক্সেস দেয়া মানে হল তিনি নির্দিষ্ট কিছু টুলস এবং এসেটে নির্ধারিত এ্যাক্সেস

Admin Access:

খ) পার্টনারঃ

গ) সিস্টেম ইউজারঃ

ও বিভিন্ন এ্যাসেট নিয়ে আলোচনা।

৩. বিভিন্ন ধরণের ডেটা সোর্স নিয়ে আলোচনা করা।

৩. বিভিন্ন এ্যাসেটের মাঝে সমন্বয় সাধনের প্রক্রিয়া।

৪. অন্যান্য হুদাই আলোচনা।

যাই হোক ১ নম্বর পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা যাক। প্রথমেই বলে রাখি এখন

Popular Blog

Leave a Comments

0
0 item
My Cart
Empty Cart